মলয় সাহা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ থেকে জন্ম হওয়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন । ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রশ্নে অনেকটা আপোষকামী অবস্থায় ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। তখন ছাত্র সমাজের একাংশ বুঝতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভাষার অধিকার আদায় করতে হলে একটি প্রগতিশীল, সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার স্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠন দরকার। সেই প্রয়োজনীয়তার তাগিদ থেকেই ১৯৫২ সালের ২৬ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন, যা বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি '৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, '৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, '৬৬-র ছয়দফা, '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সহ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল আন্দোলনে সংগঠনটির ভূমিকা ছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আলাদা গেরিলা বাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ছাত্র ইউনিয়ন। এছাড়াও '৯০-র গণ অভ্যুত্থান, ২০০৭ সালের ছাত্র আন্দোলন, ২০১৩ সালের গণজাগরণ মঞ্চে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেয় ছাত্র ইউনিয়ন।
বিভিন্ন সময়ে দেশের স্বার্থরক্ষা ও সমাজ প্রগতির নানা আন্দোলনে রাজপথে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন সংগঠনটির অনেক নেতাকর্মী। ১৯৭২ সালে ভিয়েতনামের স্বীকৃতি আদায়ের দাবি জানাতে গিয়ে শহীদ হন মতিউল, কাদের, ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলনে প্রাণ দেন ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী মঈন হোসেন রাজু, এছাড়াও নানা সময়ে অনেক নেতাকর্মী প্রাণ বিলিয়ে দিয়ে গেছেন দেশের ও ছাত্রসমাজের স্বার্থে।
ছাত্র ইউনিয়ন জাতিকে উপহার দিয়েছে জহির রায়হান, শহীদুল্লাহ কায়সারের মত অসংখ্য গুনী সাহিত্যিককে। ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি জি এম জিলানী শুভ, এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী।
লেখক: দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বরিশাল জেলা সংসদ।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ থেকে জন্ম হওয়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন । ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রশ্নে অনেকটা আপোষকামী অবস্থায় ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। তখন ছাত্র সমাজের একাংশ বুঝতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভাষার অধিকার আদায় করতে হলে একটি প্রগতিশীল, সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার স্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠন দরকার। সেই প্রয়োজনীয়তার তাগিদ থেকেই ১৯৫২ সালের ২৬ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন, যা বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
![]() |
| শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চেও ছাত্র ইউনিয়ন ছিল সামনের সারিতে |
প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি '৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, '৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, '৬৬-র ছয়দফা, '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সহ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল আন্দোলনে সংগঠনটির ভূমিকা ছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আলাদা গেরিলা বাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ছাত্র ইউনিয়ন। এছাড়াও '৯০-র গণ অভ্যুত্থান, ২০০৭ সালের ছাত্র আন্দোলন, ২০১৩ সালের গণজাগরণ মঞ্চে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেয় ছাত্র ইউনিয়ন।
বিভিন্ন সময়ে দেশের স্বার্থরক্ষা ও সমাজ প্রগতির নানা আন্দোলনে রাজপথে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন সংগঠনটির অনেক নেতাকর্মী। ১৯৭২ সালে ভিয়েতনামের স্বীকৃতি আদায়ের দাবি জানাতে গিয়ে শহীদ হন মতিউল, কাদের, ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলনে প্রাণ দেন ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী মঈন হোসেন রাজু, এছাড়াও নানা সময়ে অনেক নেতাকর্মী প্রাণ বিলিয়ে দিয়ে গেছেন দেশের ও ছাত্রসমাজের স্বার্থে।
ছাত্র ইউনিয়ন জাতিকে উপহার দিয়েছে জহির রায়হান, শহীদুল্লাহ কায়সারের মত অসংখ্য গুনী সাহিত্যিককে। ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি জি এম জিলানী শুভ, এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী।
লেখক: দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বরিশাল জেলা সংসদ।

Comments
Post a Comment